avertisements
Text

গালিব ইমতেয়াজ নাহিদ

স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও রূপকার : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ১৯ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৩ | আপডেট: ১০:২৭ এএম, ৩১ জানুয়ারী,মঙ্গলবার,২০২৩

Text

বস্ত্রহীন মাছ ধরার জাল দিয়ে লজ্জা নিবারণের চিত্র, রাস্তায় আসা-যাওয়া করতে থাকা আঞ্জুমান মফিদুলের লাশ কুড়ানো গাড়ি, হাড্ডিসার রুগ্ন অপুষ্ট শিশু ও বৃদ্ধা, স্ট্রেচারে লাশের স্তুপ, সৎকারের কাজে ছুটে বেড়ানোর ব্যস্ততা। সময়কাল ১৯৭৪ সাল, বাংলাদেশের ইতিহাসে দুঃসপ্নময় একটা বছর, এই বছরই বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ হয়েছিলো। আগস্ট মাসে শুরু হলো বন্যা, দেশের দুর্ভিক্ষ চরম আকার ধারণ করে, ১৯৭৪ সালের আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বরের পত্রিকার শিরোনামে আসতে থাকে বিভিন্ন জায়গায় মানুষের মৃত্যুর খবর। সে সময় সারা দেশের অবস্থা কেমন ছিল আজ এত বছর পরে সভ্য সমাজে এসে আমরা হয়ত এগুলো অনুভব করতে পারবো না।

আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম প্রতিদিন শুধু ঢাকা শহর থেকেই তিরিশ থেকে চল্লিশটি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করছিল। সে কাহিনি ও ছবি আছে সেই সময়কার দৈনিক সংবাদপত্র গুলোর পাতায় পাতায়। ঢাকায় প্রতি ঘন্টায় ৩-৪ জন লোক মারা যেতে থাকে অনাহারে। এর এক পর্যায়ে আঞ্জুমানের লাশ দাফনের কথা খবরের কাগজে প্রকাশ করা বন্ধ করে দেয়া হয় সরকারি আদেশে। ক্ষমতায় থেকেও দুর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে না পারার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়েই হয়তো তার সেই দিনটিকে 'অত্যন্ত পবিত্র ' বলে মনে হয়েছে পদত্যাগী অর্থমন্ত্রীর। কিংবা সংসদীয় গণতন্ত্রের ব্যবস্থার অবস্থানে তাকে আর শরিক হতে হবে না ভেবেই তার সেই উপলব্ধি কি-না, তা বলা কঠিন।

১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। সরকারি হিসেব অনুসারে ২৭,০০০ মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করে। বেসরকারি হিসেবে পরোক্ষভাবে মৃত্যুবরণ করে আনুমানিক ১৫ লক্ষ। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়। মূলত সীমাহীন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বন্যা, অপ্রতুল খাদ্য উৎপাদন, ভারতে খাদ্যশস্য ও পন্য সামগ্রী পাচারই মূল কারণ ছিলো দুর্ভিক্ষের।

নড়বড়ে অর্থনীতি, একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানে টালমাটাল পরিস্থিতিতে সিপাহি জনতার কাঁধে করে আর্বিভূত হন ইতিহাসের সবচাইতে স্মার্ট রাষ্ট্রপ্রধান জিয়াউর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণ করেই হাত দেন স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বুননে। 

স্মার্ট রাষ্ট্র গঠনের জন্য যেসকল বৈশিষ্ট্য পূরণ অবশ্যাম্ভাবী সেগুলো তিনি পূরণ করছেন, তা নিয়ে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হলো-  স্মার্ট অর্থনীতি: স্মার্ট অর্থনীতি তৈরি করতে মূলত প্রয়োজন একটা সম্মিলিত অর্থনৈতিক চিত্র। যেটা তাঁর মাথায় অঙ্কিত ছিলো। অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজন উদ্যোক্তা তৈরি, শ্রমবাজার তৈরি, উৎপাদন ও উপযোগিতা, আন্তর্জাতিক পণ্য বাজারে প্রবেশ এবং উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের সক্ষমতা। উদ্যোক্তা তৈরি করতে তিনি ব্যাপক প্রচার অভিযান চালান, বানিজ্যিক উদারনীতির প্রতিষ্ঠা করতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের তহবিল প্রদান করেন, প্রথম আন্তর্জাতিক ব্যাংক 'ব্যাংক অফ ক্রেডিট এ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক' ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন। বন্ধ পুঁজিবাজার পুনরায় চালু করেন। পাবলিক বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা বিলুপ্ত করেন। ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য ১৯৭৭ সালে জাতীয় রপ্তানি পুরস্কার প্রবর্তন করেন। শ্রমবাজার তৈরি করতে সক্ষম হন। ১৯৭৬ সালে দক্ষ শ্রমবাজার তৈরি করতে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১সালে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে অনুমতি দেন জনশক্তি রপ্তানিতে। চার বছরে ৬০ হাজারের বেশি দক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে প্রেরণ করেন, যাদের কারণে বৈদেশিক রিজার্ভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ট্রেডমার্ক তৈরিতে সক্ষম হন এবং বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক রপ্তানি শুরু করেন। পোশাক শিল্পের সূচনার মাধ্যমে প্রথম RMG সেক্টরের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশের প্রথম পোশাক শিল্পকারখানার নাম 'দেশ গার্মেন্টস'। 

দক্ষিণ কোরিয়ার Daewoo কোম্পানি প্রথম পোশাকশিল্পে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এবং ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে। তিনি Back to Back Letter of Credit সেবা চালু করেন এবং বন্ডেড গুদামের বিধান চালু করেন। ট্যানারি, হস্তশিল্প, পাট পণ্য, হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে ব্যাপক উন্নতি সাধন করেন, যা জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। বৈদেশিক রেমিট্যান্স গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করে। শুল্ক ও বিক্রয় করের মাধ্যমে ১৯৭৪ সালের ৩৯% থেকে ১৯৭৯ সালে ৬৪% এ উন্নীত করে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে তিনি দিনরাত ছুটে বেড়িয়েছেন। সবুজায়নের উদ্দেশ্যে খরা ও বন্যার হাত থেকে কৃষিকে রক্ষা করতে সারাদেশে খালখনন করেন। ইরি ধানের প্রথম প্রচলন তিনি করেন যার ফলে কৃষক পূর্বের থেকে দ্বিগুণ বা তিনগুণ ধান পেতে থাকেন। সুপেয় পানির ঘাটতি মেটাতে গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য কৃষকদের ভতুর্কি দেন। তাঁর সময়ে ১৯৭৯ সালে পাট প্রথম লাভজনক পণ্য হয়ে উঠে। গ্রামীণ অর্থনীতির মজবুত ভীত রচিত হয়।

স্মার্ট গর্ভনেন্স: জনসম্পৃক্ত সরকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলো জিয়াউর রহমানের সময়কালে। জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ২৩ জুন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানিকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী তৎকালীন সরকার সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল তথা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে। মাত্র ৪টি পত্রিকা রেখে সকল পত্রিকার প্রকাশনা নিষিদ্ধ করে। বাকশাল প্রবর্তনে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনে ব্যাকুল ছিল। রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধান সংশোধন করে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছিলেন। জিয়াউর রহমান জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রথা বাতিল করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন। গণমাধ্যমের উপর থেকে সকল কালাকানুন প্রত্যাহার করে মুক্ত স্বাধীন গণমাধ্যম চালু করেন। দৃঢ় প্রশাসক হিসেবে তিনি দুর্নীতি মুক্ত রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রেখেছেন।

স্মার্ট জাতি: স্মার্ট নেশন তৈরিতে যেটা সবচেয়ে প্রয়োজন সেটা স্বকীয়তা। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্টার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশী হিসেবে জনগণকে স্বকীয় পরিচয়ে পরিচিত করেছেন। জাতিসত্তা জাগ্রত হলে দেশপ্রেমিক জাতি তৈরি হবে। স্মার্ট জাতি গঠনের জন্য লেখাপড়া, খেলাধুলা, বিনোদন, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ইত্যাদি অনুষঙ্গকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। যুবকদের উন্নয়নে ১৯৭৮ সালে যুব মন্ত্রনালয় গঠন করেন। জেলায় জেলায় যুব কমপ্লেক্স চালু করেন। গণস্বাক্ষরতা কর্মসূচির মাধ্যমে নিরক্ষরমুক্ত জাতি গঠনে ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৭সালের ১৫ জুলাই শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন, যা শিশু বিকাশে এখনো অবদান রেখে যাচ্ছে।মেধাবি শিশুদের জন্য তিনি নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা চালু করেন।তিন দক্ষ জাতি তৈরি করতে ৪টি ক্যাডেট কলেজ থেকে ৮টি কলেজে উন্নিত করেন। 

স্মার্ট পরিবেশ: স্মার্ট রাষ্ট্র গঠনের সহায়ক পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবুজায়ান, বনায়ন, খেলাধুলার মাঠ, শিশুদের জন্য ১৯৭৯ সালে শাহবাগে শিশুপার্ক নির্মাণ করেন। বসবাসের জন্য গৃহায়ণ ঋন চালু করেন। গৃহ গবেষণা কেন্দ্র চালু করেন। নদী গবেষণার জন্য ইন্সটিটিউট গঠন করেন। প্রকৃতির সমৃদ্ধির জন্য বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন করেন। আবাদি জমি ব্যবহার করতে অনুপ্রানিত করেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ঢাকা রক্ষা বাধ DND নির্মান করেন। হাওর উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। পুলিশকে আধুনিকায়ন করেন মহিলা পুলিশ, স্বনির্ভর গ্রাম সরকার, গ্রাম প্রতিরক্ষা পুলিশ, ডিফেন্স স্টাফ কলেজ, ঢাকা পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, জাতীয় শিশু পুরস্কার চালু করেন। আইন শৃঙখলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিষ্ঠা করেন। 

স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা: স্বাস্থ্য খাতে প্রতিষোধক টিকা ও জন্মনিয়ন্ত্রণে প্রচার অভিযান চালিয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমাতে ভূমিকা রাখেন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন।৷ স্বল্প নগদ প্রনোদনার মাধ্যমে বন্ধ্যাকরন পদ্ধতি প্রচার করে থাকেন। ২৭,৫০০ পল্লি চিকিৎসক তৈরি করেন। বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীদের গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক উদারাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র CDDRB চালু করেন। জাতীয় শিশু হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট, জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল গঠন করে থাকেন। ১৯৭৯ সালের ৭ই এপ্রিল ৮টা পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে টিকা দান কর্মসূচি চালু করেন। পরবর্তী সময়ে সারা বাংলাদেশে চালু করেন। নবজাতকের ৬টা ভ্যাকসিন বিসিজি, ডিপিটি, ওপিডি, টিটি, হাম প্রদানের কর্মসূচি চালু করেন; যার ফলে  শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। 

স্মার্ট গতিশীলতা: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার একটা রাষ্ট্রকে গতিশীল করে তোলে। জিয়াউর রহমানের সময়কালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। যদিও ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার যাত্রা শুরু করে কিন্তু কম্পিউটার শিক্ষার  প্রয়োজনীয়তার কথা অনুধাবন করে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করেন, যা পরবর্তীতে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে দ্রুততার সাথে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। ১৯৮০ সালে বিটিভির রঙিন সম্প্রচার শুরু করেন।

স্মার্ট বিদ্যুতায়ন: বিদ্যুতের প্রাতিষ্ঠানিক সরবরাহ করার লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশের সকল জেলা-উপজেলায় বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং ১৯৭৮ সালে REB প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮০ সালের আগস্টে জিয়াউর রহমান ফ্রান্সে যাত্রা বিরতি করেন এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি গিসকার্ড এর আমন্ত্রণে ফ্রান্সের ইলিসি প্রাসাদে দুটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন- একটি আর্থিক সুবিধার বিষয় সংক্রান্ত, অন্যটি পারমানবিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত; বিশেষ করে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উন্নয়ন কাজের বিষয়ে। ১৯৮১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশের মধ্যে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি করেন।

মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে নিয়মিত খেলাধুলার আগ্রহ তৈরি করতে আন্তর্জাতিক খেলা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করতেন। স্টেডিয়াম সংস্কার ও ফ্লাড লাইটের ব্যবস্থা তিনি চালু করেন। রাষ্ট্রপতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট চালু করেন। টেনিস কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন। বক্সিংকে জনপ্রিয় করতে মোহাম্মদ আলীকে বাংলাদেশে এনে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেন। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ৫ তারকা মানের আবাসিক হোটেল সোনারগাঁওয়ের যাত্রা শুরু হয় জিয়াউর রহমানের সময়কালে। এককথায় স্মার্ট রাষ্ট্রের যাত্রা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই শুরু হয় তা স্পষ্ট।

লেখক : গালিব ইমতেয়াজ নাহিদ, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক দল (খুলনা বিভাগ)।

avertisements
বাংলাদেশে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল আদানির বিদ্যুৎ আমদানি
বাংলাদেশে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল আদানির বিদ্যুৎ আমদানি
বাংলাদেশে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল আদানির বিদ্যুৎ আমদানি
বাংলাদেশে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল আদানির বিদ্যুৎ আমদানি
বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে : টিআইবি
বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে : টিআইবি
বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে : ওবায়দুল কাদের
বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে : ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগ যেভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করেছিল
আওয়ামী লীগ যেভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করেছিল
তারল্য ও জ্বালানি সংকটে পড়ছে পাকিস্তান
তারল্য ও জ্বালানি সংকটে পড়ছে পাকিস্তান
এবার প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে আক্রমণ করে ঢাকাস্থ রুশ দূতাবাসের ব্যঙ্গচিত্র
এবার প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে আক্রমণ করে ঢাকাস্থ রুশ দূতাবাসের ব্যঙ্গচিত্র
আমি আওয়ামী লীগ করি না, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি : বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী
আমি আওয়ামী লীগ করি না, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি : বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী
জনগণের কাছ থেকে টাকা লুট করতেই সরকার বিদ্যুতের দাম বার বার বাড়াচ্ছে : ড. মোশাররফ
জনগণের কাছ থেকে টাকা লুট করতেই সরকার বিদ্যুতের দাম বার বার বাড়াচ্ছে : ড. মোশাররফ
বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন
বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপি নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি : প্রতি পাঁচজনের একজন মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খাচ্ছেন
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি : প্রতি পাঁচজনের একজন মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খাচ্ছেন
বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি
বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি
মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রায় দারুসসালাম থানার অংশগ্রহণ
মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রায় দারুসসালাম থানার অংশগ্রহণ
রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমেই সকল রাজবন্দিদের কারামুক্ত করতে হবে : অ্যাড. মনা
রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমেই সকল রাজবন্দিদের কারামুক্ত করতে হবে : অ্যাড. মনা
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক কারাগারে, আদালত চত্বরে বিক্ষোভ
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক কারাগারে, আদালত চত্বরে বিক্ষোভ
কর্ণেল আজিমের রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
কর্ণেল আজিমের রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
অরাজনৈতিক হয়েও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ডা. জুবাইদা রহমান
অরাজনৈতিক হয়েও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ডা. জুবাইদা রহমান
এ প্রতিহিংসার শেষ কোথায়!
এ প্রতিহিংসার শেষ কোথায়!
জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
জার্মান বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়ার মাতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
বিনিয়োগকারীদের ২৪ হাজার কোটি টাকা লাপাত্তা
বিনিয়োগকারীদের ২৪ হাজার কোটি টাকা লাপাত্তা
কণ্ঠে আহাজারি শুনি নাই, চোখে আগুন দেখেছি : মির্জা ফখরুল
কণ্ঠে আহাজারি শুনি নাই, চোখে আগুন দেখেছি : মির্জা ফখরুল
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
গুন্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি-শামিম (ভিডিওসহ)
ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন নিয়োগ বিধিমালা নিয়ে অসন্তোষ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নতুন নিয়োগ বিধিমালা নিয়ে অসন্তোষ
শিক্ষার টেকসই উন্নয়ন, প্রসার ও কর্মমুখীকরণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বিএনপির ভূমিকা
শিক্ষার টেকসই উন্নয়ন, প্রসার ও কর্মমুখীকরণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বিএনপির ভূমিকা
ভোলা থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে এসেছিল এসআই কনক
ভোলা থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে এসেছিল এসআই কনক
ধামরাইয়ে বাসা বাড়িতে দেহ ব্যাবসার অভিযোগ
ধামরাইয়ে বাসা বাড়িতে দেহ ব্যাবসার অভিযোগ
রাজনীতিকে আওয়ামীকরণ
রাজনীতিকে আওয়ামীকরণ
মোদি-বিরোধী প্রতিবাদে মৃত্যুর তদন্ত চেয়েছে ১১টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন
মোদি-বিরোধী প্রতিবাদে মৃত্যুর তদন্ত চেয়েছে ১১টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন
তারেক রহমান যাঁর প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ
তারেক রহমান যাঁর প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ
avertisements
avertisements